Blog Details

আমতলীতে পেট্টোল পাম্পে ডাকাতি

জাকির হোসেন, আমতলী : বরগুনার আমতলী-কলাপাড়া মহাসড়কের ছুরিকাটা নামক স্থানে সৈকিত ফিলিং স্টেশনে সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে একদল মুখোশধারী ডাকাতরা। শনিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় আমতলী-কলাপাড়া মহাসড়কে আমতলীর ছুরিকাটা নামক স্থানে অবস্থিত সৈকত ফিলিং স্টেশনে এক দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত পরিচয়ের ৪-৬ জন মুখেশধারী ডাকাতদল সৈকত ফিলিং স্টেশনে ঢুকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে পাম্পের দায়িত্ব রত কর্মচারী (মিটারম্যান) মো. ইদ্রসকে (৩৫) কে আহত করে একটি বাথরুমে জিম্মি করে রাখে। পরে তারা ক্যাশ কাউন্টারের তালাবদ্ধ লোহার কলাবসিকল গেট এবং কাঠের দরজা ভেঙ্গে ক্যাশ কাউন্টারে প্রবেশ করে স্টীলের আলমিরা ভেঙ্গে ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা লুট করে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় তারা আলমিরাতে সংরক্ষিত বিভিন্ন কাগজপত্র তছনছ করে। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পর বাথরুমে জিম্মিকরা কর্মচারী ইদ্রসের ডাক চিৎকার শুনে মালিক মো. মিজানুর রহমান সিপন তালুকদার ছুটে এসে তাকে উদ্ধারের পর দেখেন কাউন্টারের আলমিরাতে থাকা টাকা ডাকাতি করে নিয়ে গেছেন ডাকাতরা। ওই রাতেই আহত কর্মচারী মো. ইদ্রিসকে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মালিক মো. মিজানুর রহমান সিপন তালুকদার জানান, আহত কর্মচারী ইদ্রিসের ডাক চিৎকারের খবর পেয়ে এসে দেখি ক্যাশ কাউন্টারের আলমিরা ভেঙ্গে সারা দিনের পেট্টল এবং ডিজেল বিক্রির ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার টাকা ডাকাতি করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। আমি এঘটনায় ৪-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে আমতলী থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেছি।

ডাকাতির খবর শুনে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আমতলী -তালতলী সার্কেলের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিয়োজিত) মেহেদি হাসান ও বরগুনার অপরাধ ও প্রশাসনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক রহমান ও বরগুনার ওসি ডিবি মো. আবেদুর রহমান রবিবার দুপুর পৌনে ১ টার সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আমতলী থানার ওসি তদন্ত রনজিৎ সরকার জানান, এটি ডাকাতি নয় ছিনতাই। ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় পাম্পের মালিক মো. মিজানুর রহমান শিপন তালুকদার ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরো জানান, ছিনতাইকারীদের খুজে বের করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this:

developed by:Md Nasir