Blog Details

ভাবীকে খুনে দেবরের স্বীকারোক্তি

ভাবীকে খুনে দেবরের স্বীকারোক্তি

জাকির হোসেন, আমতলী : আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ টেপুরা গ্রামের নিহত শাহাভানু বেগম (৭০) খুনের দায় স্বীকার করে বিচারকের নিকট স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দী দিয়েছে নিহত শাহাভানুর সৎ দেবর রিপন হাওলাদার।

খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাতার প্রবাসী শাহাভানুর মেয়ে শাহিনুরের স্বামী রিয়াজ খান ও প্রতিবেশী লিটন হাওলাদারকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মামলা ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলার দক্ষিণ টেপুরা গ্রামের মৃত জব্বার হাওলাদারের স্ত্রী শাহাভানু বেগম (৭০) গত ২৫ জুলাই কাতার প্রবাসী মেয়ে শাহিনুরের বাড়িতে নাতিকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিল।

২৬ জুলাই মঙ্গলবার সকালে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে শাহাভানুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় ওই দিন রাতে নিহত শাহাভানুর ছেলে শাহিদুল ইসলাম অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে রবিবার সন্ধ্যায় সৎ দেবর রিপন হাওলাদারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসময় সে হত্যার কথা স্বীকার করে।

পরের দিন সোমবার তাকে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রের নিকট সোপর্দ করলে রিপন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের নিকট ১৬৪ ধারায় খুনের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার কনে জবানবন্দী প্রদান করে।

তার দেওয়া জবান বন্দীর আলোকে মঙ্গলবার কাতার প্রবাসী মেয়ে শাহিনুরের স্বামী রিয়াজ খান এবং প্রতিবেশী লিটন হাওলাদারকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

পুুলিশ জনায় শাহাভানুরকাতার প্রবাসী মেয়ে শাহিনুরের স্বামী রিয়াজ খান ১ লক্ষ টাকা চুক্তিতে সৎ দেবর রিপন হাওলাদার এবং প্রতিবেশী দুধা হাওলাদারকে ভাড়া করে। ঘটনার দিন রিয়াজ খান, রিপন হাওলাদার ও লিটন হাওলাদার ঘরের সিথ কেটে ঘরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত শাহাভানুর গলায় রশি লাগিয়ে স্বাস রোধে হত্যা করে সামনের পুকুরের পানিতে লাশ ফেলে রাখে।

আমতরী থানার ভারপ্রাপ্ত কমৃকর্তা একেএম মিজানুর রহমান বলেন, রিয়াজ খান ছিল শাহিনুরের দ্বিতীয় স্বামী বিদেশ থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বিয়ে হয়। শ্বাশুরীর সাথে টাকা এবং জমি রাখা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারনে দুই ভাড়াটিয়া খুনী এবং নিজে মিলে শাহাভানুকে হতা করে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত চলছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this:

developed by:Md Nasir