Blog Details

বরগুনা জেলা পরিষদে আ’লীগের মনোনয়ন চান ৮ জন

বরগুনা জেলা পরিষদে আ’লীগের মনোনয়ন চান ৮ জন

লোকবেতার ডেস্ক : বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন আটজন। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) শেষদিনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আটটি ফরম জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ অফিসে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ অফিসের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার শেষদিনে আটটি মনোনয়ন ফরম জমা পড়েছে। তারা হলেন- বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম মজিবুল হক কিসলু, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু, সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবদুল মোতালেব মিয়া ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. জামাল হোসেন বিশ্বাস।

মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ‘আমি পাঁচ বছর বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ছিলাম। আমার আমলে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। আমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুই বছর জেল খেটেছি। ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আছি। আমাকে কোনো দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারেনি। আমাকে মনোনয়ন দিলে সততার সঙ্গে কাজ করবো।’

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব মৃধা বলেন, ‘আমি সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। রাজনীতি করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছি। ১৯৭৫ সালে জাতির জনকের হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুই বছর কারাবরণ করেছি। আমার বাবাও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদে পাঁচ বছর চেয়ারম্যান ছিলাম। সততার সঙ্গে কাজ করেছি। কোনো দুর্নীতি আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি। আমি মনোনয়ন পেলে সততার সঙ্গে কাজ করবো।’

আব্বাস হোসেন মন্টু বলেন, বরগুনা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম। আমি কেমন মানুষ তা বরগুনাবাসী জানে। রাজনীতিতে আমার কোনো দুর্নাম নেই। আমাকে মনোনয়ন দিলে সততার সঙ্গে কাজ করবো।

মো. শাহজাহান বলেন, ‘আমি বরগুনা পৌরসভার দুইবার মেয়র ছিলাম। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমি যখন মেয়র ছিলাম, দুর্নীতির ছোঁয়া আমার গায়ে লাগেনি। আমি মুক্তিযোদ্ধা। আমাকে মনোনয়ন দিলে মাস্টারপ্ল্যান করে জেলার উন্নয়ন করবো।’

জিয়া উদ্দিন হিমু মোল্লা বলেন, সারাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করবেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যেসব ত্যাগী নেতা কিছু পায়নি এবার তাদের মূল্যায়ন হবে। আমি মনোনয়ন পেলে সততার সঙ্গে কাজ করবো।

আগামী ১৭ অক্টোবর বরগুনাসহ দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ১৮ সেপ্টেম্বর বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। আগামী ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this:

developed by:Md Nasir